Facebook   Twitter   LinkedIn   Youtube   Wikipedia
17 Nov 2011
পর্যটন দূত মুসা ইব্রাহীমের নেপালের পর্যটন মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত
নেপাল সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে (বাম থেকে) মুসা ইব্রাহীম; নেপাল সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী লোকেন্দ্র বিস্ট মাগার; নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব নিম চন্দ্র ভৌমিক ও নেপাল সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব।


বাংলাদেশের পর্যটন, এর বিকাশ ও বিভিন্ন সম্ভাবনার মাধ্যমে নেপালের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যে নেপাল সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী লোকেন্দ্র বিস্ট মাগার (Lokendra Bist Magar, Minister, Ministry of Tourism & Civil Aviation, Government of Nepal)-এর সঙ্গে সাক্ষাত করেন মুসা ইব্রাহীম। ১৭ নভেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৩০টায় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর সিংহ দরবারে অবস্থিত নেপাল সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংলগ্ন পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব নিম চন্দ্র ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নেপাল সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মহোদয়ও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতে জনাব নিম চন্দ্র ভৌমিক বন্ধুত্বপূর্ণ দু?দেশের বিদ্যমান পর্যটনভিত্তিক সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, সার্কভুক্ত দেশ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে লোক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ভাষা ও কৃষ্টিতে বহু মিল রয়েছে। এমনকি দু?দেশের লোকজনের সম্পর্কও বেশ সমভাবাপন্ন। এ দিক দিয়ে দু?দেশের মধ্যে সহজেই পর্যটনভিত্তিক দিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।

মুসা ইব্রাহীম বলেন, বাংলাদেশ নেপালের মতোই প্রকৃতিগত দিক থেকে বৈচিত্র্যে ভরা। বাংলাদেশে ইউনেস্কোঘোষিত রামসার কনভেনশন সাইট সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়া হ্রদ রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে বেঙ্গল টাইগার, বহু ধরনের হরিণ, পাখি, সাপসহ বহু ধরনের গাছপালা রয়েছে। যা পর্যটকদের সহজে আকৃষ্ট করে। এছাড়াও বাংলাদেশে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীভিত্তিক উৎসবও এখন বিদেশী পর্যটকদের মূল আকর্ষণ। এসব বিষয়কে ভিত্তি করে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও পর্যটনভিত্তিক প্রতিনিধিদলের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা যেতে পারে। এতে করে দু?দেশের পর্যটন আরও বিকশিত হতে পারে।

এ সময় নেপাল সরকারের পর্যটন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী লোকেন্দ্র বিস্ট মাগার দুদেশের পর্যটন বিকাশের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি তিনি গত ২৩ মে, ২০১০ তারিখে সাহসিকতার সঙ্গে এভারেস্ট জয়ের জন্য মুসা ইব্রাহীমকে অভিনন্দন জানান।

বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আগামী ২০ নভেম্বর, ২০১১ তারিখ বেলা ৩টায় নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অব ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেল এজেন্টস, ট্রেকিং এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব নেপাল, ও নেপাল অ্যাসোসিয়েশন অফ র‌্যাফটিং এজেন্টস-এর কর্মকর্তদের সঙ্গে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাসে এক সাক্ষাতের আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব জিএম কাদের এমপি গত ২৭ আগস্ট, ২০১১ তারিখে এক সংবাদ সম্মেলনে এভারেস্টবিজয়ী প্রথম বাংলাদেশী মুসা ইব্রাহীমকে বাংলাদেশের পর্যটন দূত ঘোষণা করেন।
Welcome Message
Mountaineering Biography
Personal Biography
Photo Gallery
Video Gallery
Musa Ibrahim's official website (www.musaibrahim.com.bd) launched on December 03
DU authority conferred 'Blue' award to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim accorded DU Alumni Association reception
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Institute of Education & Research (IER), University of Dhaka is conferring reception to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Home About Musa Gallery You can do it Press Release Blog Forum FAQ Contact