Facebook   Twitter   LinkedIn   Youtube   Wikipedia
30 Sep 2011
আমিও যেতে চাই পর্বতারোহণে- জিএম কাদের, মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী জিএম কাদেরের হাতে তানজানিয়ার চিত্রকর্ম তুলে দিচ্ছেন এনএসিবি?র কিলিমানজারো অভিযাত্রীরা


সাতান্ন বছর বয়সে কেউ যদি পর্বতারোহণ শুরু করতে পারেন, আর সেটা যদি হয় বাংলাদেশী কেউ, তাহলে আমিও পর্বতারোহণে যেতে চাই- আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১১ শুক্রবার সকাল ১১টায় ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ-এনএসিবি তার সদস্যদের গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে কিলিমানজারো পর্বত জয় উপলক্ষে আয়োজিত ?কিলিমানজারো বিজয় ও বাংলাদেশের পর্যটন? শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী জিএম কাদের এমপি এ কথা বলেন। তিনি তরুণদের বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কর্তব্য এ দেশের পর্যটনকে বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে দেয়া। এক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যটন বিকাশে যে কাজগুলো সরকার করতে পারছে না, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচিত সে খাতগুলোতে এগিয়ে এসে এদেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। জিএম কাদের এনএসিবি?র অভিযাত্রীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমরা যে অনেককিছু করতে পারি, এভারেস্ট জয়ের পর সেভেন সামিটের অংশ হিসাবে কিলিমানজারো পর্বতে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো সেটারই চূড়ান্ত প্রমাণ। এটাই এখন আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে- আমরা সবাই পারি।
সংবাদ সম্মেলনে আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত ১৯,৩৪০ ফুট উচু কিলিমানজারো পর্বতের উহুরু চূড়ায় এনএসিবি?র সদস্য ও এভারেস্ট চূড়ায় প্রথম বাংলাদেশী মুসা ইব্রাহীম, কিলিমানজারো জয়ী অপর সদস্য ও নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়াজ মোরশেদ পাটওয়ারী এবং বর্ষীয়ান অ্যাডভেঞ্চারার এমএ সাত্তার তার ১৫ হাজার ফুট পর্যন্ত আরোহণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। এ সময় তারা স্থিরচিত্র ও কিলিমানজারো পর্বতাভিযানের ভিডিওচিত্রও প্রদর্শন করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে আমেরিকার পেনসালভেনিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশী মেয়ে সাফিনা শেহনাজ ২০০৭ সালে, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশী আবদুল সালাম ২০০৮ সালে, মাহফুজ এ রাসেল ২০১০ সালের ৮ সেপ্টেম্বর কিলিমানজারো জয় করেন।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট, ২০১১ এক সংবাদ সম্মেলনে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জিএম কাদের এমপি মুসা ইব্রাহীম, নিয়াজ পাটওয়ারী ও এমএ সাত্তারকে বাংলাদেশের পর্যটন দূত হিসাবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই দায়িত্ব নিয়ে অভিযাত্রী দল তানজানিয়ায় অবস্থানকালীন সময়ে সেদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী সচিব ডোনাটিয়াস এম কে কামাম্বা এবং ভারপ্রাপ্ত পর্যটন পরিচালক জাহোরো এ কিমওয়াগা?র কাছে বাংলাদেশের পর্যটনের শুভেচ্ছাস্মারক হস্তান্তর করেন। এরপর গত ১৯ সেপ্টেম্বর তানজানিয়ার বাণিজ্যিক রাজধানী দার এস সালামে বাংলাদেশী প্রবাসীদের আয়োজিত কিলিমানজারো অভিযাত্রীদের সম্বর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে ডোনাটিয়াস এম কে কামাম্বা মুসা ইব্রাহীমকে বাংলাদেশের তানজানিয়ার পর্যটনের শুভেচ্ছাদূত ঘোষণা করেন।
বাংলাদেশ ও তানজানিয়ায় পর্যটনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে মুসা ইব্রাহীম বলেন, তানজানিয়া বর্তমানে তাদের পর্যটন বিকাশে বর্তমানে ২৩ লক্ষ ডলার ব্যয় করে এবং আগামী বছর তারা প্রায় ৫৭ লক্ষ ডলার ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের ঘোষিত লক্ষমাত্রা মাত্র ৮ লক্ষ ডলার। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তার পর্যটন বিকাশে বিভিন্ন উৎসব যেমন পহেলা বৈশাখ, বাউল উৎসব, রাখাইনদের বৈসাবি উৎসব এবং অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস যেমন কক্সবাজার সমুদ্রে সার্ফিং, টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত হাফ ম্যারাথন লং ডিসটেন্স সমুদ্র সাঁতার, ঢাকা ম্যারাথন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিদেশীদের আকৃষ্ট করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, তানজানিয়ায় পর্যটন স্থানগুলোতে স্কুলের শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক ও বিনামূল্যে ভ্রমণের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই ধরনের সুযোগ বা নিয়ম বাংলাদেশে চালু করলে শিক্ষার্থীরাও এদেশের পর্যটন বিকাশে এগিয়ে আসবে। তিনি বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে বিভিন্ন টিভি প্রোগ্রাম আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচারের অনুরোধ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ঢাকায় তানজানিয়ার অনারারি কনসাল প্রকৌশলী এম রফিকুল ইসলাম বলেন, তানজানিয়ায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে এনএসিবি?র এই দলটি। তারা কিলিমানজারো জয়ের পর সেদেশে বাংলাদেশের পর্যটনকে তুলে ধরেছেন। সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান এম আজিজ খান এবং জেএএন অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ এইচ কাফি বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বলেন, কিলিমানজারো অভিযাত্রীরা বাংলাদেশের সুনাম বিদেশে প্রচার করছে। দেশে ও দেশের বাইরে তরুণদের এমন উদ্যোগকে তারা সাধুবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এনএসিবি?র সভাপতি আনিসুল হক। তিনি বলেন, এনএসিবি একটি তারুণ্যনির্ভর সংগঠন যারা বিদেশে বাংলাদেশের সামর্থকে প্রমাণ করে চলেছে।
উল্লেখ্য, ২৩ মে, ২০১০ তারিখে মুসা ইব্রাহীম বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টে লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানোর পর বাংলাদেশ এখন ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ। সেই সাফল্যকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে তিনি বিশ্বের সাতটি মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ চূড়ায় ?সেভেন সামিট? অভিযান শুরু করছেন। আগামী ডিসেম্বর ২০১১/জানুয়ারি ২০১২-এ মুসা ইব্রাহীম সেভেন সামিটের অংশ হিসাবে অ্যান্টার্কটিকার (দক্ষিণ মেরু) মাউন্ট ভিনসন (১৬,০৬৭ ফুট)-এ অভিযান পরিচালনা করার আশা প্রকাশ করেন। তার সেভেন সামিট অভিযানের স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ?বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অভিযান? এবং ?চ্যালেঞ্জের মুখে সবাইকে সফল করার প্রত্যয়?। এছাড়াও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অ্যাকংকাগুয়া পর্বত (উচ্চতা ২২,৮৩৫ ফুট), উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ম্যাকিনলি (২০,৩২০ ফুট), ইউরোপের মাউন্ট এলব্রুস (১৮,৫১০ ফুট) এবং ওসেনিয়া মহাদেশের কার্সটান্স পিরামিড পর্বত (১৬,০২৩ ফুট)- এ অভিযান পরিচালনা করবেন তিনি।
Welcome Message
Mountaineering Biography
Personal Biography
Photo Gallery
Video Gallery
Musa Ibrahim's official website (www.musaibrahim.com.bd) launched on December 03
DU authority conferred 'Blue' award to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim accorded DU Alumni Association reception
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Institute of Education & Research (IER), University of Dhaka is conferring reception to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Home About Musa Gallery You can do it Press Release Blog Forum FAQ Contact