Facebook   Twitter   LinkedIn   Youtube   Wikipedia
30 May 2011
এনএসিবি'র আয়োজনে শেষ হলো প্রথম অ্যাডভেঞ্চার মেলা ২০১১
দেখতে দেখতে পার হয়ে গেল বাংলাদেশ থেকে প্রথম এভারেস্ট জয়ের পর এক বছর। ২০১০ সালের ২৩ মে ভোর ৫টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ হিসাবে পরিণত হয়েছিল। সেটা ছিল বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের জয়। বাংলাদেশী হিসাবে বিশাল এক বাধাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার ড়্গণ। নিজেদের সামর্থ্যকে সবার কাছে প্রমাণের মুহূর্ত। সেই জয় এখন আমাদের এগিয়ে চলার ভিত। এই প্রেরণা আমাদের তাড়িয়ে বেড়ায়। এই প্রেরণা উজ্জীবিত হওয়ার শক্তি। মুসা ইব্রাহীম আমাদের সেই প্রেরণা এনে দিয়েছেন। প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে বিশ্বের সর্বোচ্চ চূড়ায় উড়িয়েছেন লাল-সবুজ পতাকা।

কিন্তু পর্বতারোহীদের দর্শন হলো এভারেস্টকে জয় করা যায় না। প্রকৃতপক্ষে সেখানে নিজের সামর্থের বাধাকে জয় করতে হয়। পর্বতারোহণে উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতি এক ভিন্ন রূপে হাজির হয়-সমতলে আমরা একে যেভাবে পাই, পর্বতে তার ঠিক উল্টো। সেখানে তীব্র তুষারপাত আর শূন্য থেকে মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মাঝে বাতাস বয়ে চলে প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে। এর সঙ্গে যোগ হয় উচ্চতাজনিত নানান শারীরিক সমস্যা-মস্তিষ্কে আর ফুসফুসে পানি জমে যাওয়ার কারণে তীব্র মাথা ও বুকে ব্যথা, খাওয়ার আরুচি, ঝিম ঝিম ভাব, ঘুম না হওয়া ইত্যাদি। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা অক্সিজেন স্বল্পতা। এ কারণে মানুষ সেখানে স্বাভাবিক চিন্তাটাও করতে পারে না। আর এভারেস্টে ২৬ হাজার ফুট উচ্চতা থেকেই শুরু হয় ?ডেথ জোন?। অর্থাৎ, এ উচ্চতার পর যে কোনো জীবন্ত প্রাণ দ্রুত প্রাণশক্তি হারাতে থাকে-অক্সিজেন কম থাকার কারণে। সব মিলিয়ে মনের শক্তি দ্রুতই ক্ষয় হতে থাকে এভারেস্ট অভিযানে। তাই এ অভিযানে মনের দিক থেকে প্রচন্ড শক্তিশালী হতে হয়। এই পুরো পরিসি'তিতে এভারেস্টের ২৯ হাজার ৩৫ ফুট উচ্চতার চূড়ায় পৌঁছানোটা আসলে সেই চূড়াকে জয় করা নয়, এটা প্রকৃতির প্রতিকূলতাকে ছাপিয়ে ব্যক্তির নিজেকে জয়।

এতো কষ্টের পরও কেন পর্বতারোহীরা বারবার পর্বতারোহণে যান, কেন পর্বতের ডাক উপেক্ষা করতে পারেন না, তার একটা কারণ লক্ষে পৌঁছানোর আনন্দ। চূড়ান্ত চেষ্টার পর যখন কোনো সাফল্য এসে ধরা দেয়, এবং যখন এতোসব কঠিন পরিস্থিতেও পর্বতারোহীরা নিজেকে বিজয়ীর রূপে দেখে, সেই অনুভূতি বারবার পর্বতারোহীদের টেনে নিয়ে যায় এই কঠিন কাজে। আর সাধারণ মানুষ পর্বতের কোলে গিয়ে হাজির হন পর্বতের অপরূপ সৌন্দর্য মন ভরে উপভোগের আশায়।

সেই ২৩ মে বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট জয়ের এক বছর পূর্তি হলো। গত বছরের ঠিক এই দিনে এভারেস্টসম বাধা পেরিয়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা উড়েছিল বিশ্বের সর্বোচ্চ চূড়া এভারেস্টে। ২৯ হাজার ৩৫ ফুট উঁচু সেই চূড়ায় আরোহণ করতে গিয়ে পর্বতারোহীর জীবন সংশয় হয়ে পড়েছিল। কিন্তু দৃঢ় সংকল্প, অদম্য স্পৃহা, সহযোগিতা ও শুভেচ্ছা, টিমওয়ার্ক, চ্যালেঞ্জ জয়, অভিজ্ঞতা, সামর্থ্য ইত্যাদি সবকিছু একত্র করেই মুসা ইব্রাহীম পূরণ করেছিলেন লাল-সবুজের ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্ন।

এই অর্জনের ক্ষণে জাতিকে জাগিয়ে তোলার মোক্ষম দিন ছিল ২৩ মে। যে বিশ্বাসকে বুকে ধারণ করে মুসা ইব্রাহীম এক অচেনা পথে পা বাড়িয়েছিলেন, তা এখন বহু তরুণের জন্য উদাহরণ। সেই উদাহরণটাকেই এবার তরুণদের কাছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে হাতেকলমে নিয়ে হাজির করার উদ্দেশ্যে নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ আয়োজন করেছিল সপ্তাহজুড়ে অ্যাডভেঞ্চার মেলা- শাহ সিমেন্ট অ্যাডভেঞ্চার মেলা ২০১১।
বাংলাদেশ থেকে প্রথম এভারেস্ট জয় হয়েছে ২৩ মে, ২০১০-এ। কিন' সারা বিশ্ব থেকে সর্বপ্রথম এভারেস্ট জয় করেন নিউজিল্যান্ডবাসী এডমন্ড হিলারী ও নেপালের তেনজিং নোরগে শেরপা, ১৯৫৩ সালের ২৯ মে। নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ ২৩ মে এবং ২৯ মে- এই দুই অর্জনের মাঝের দিনগুলোকে এক করে এই সপ্তাহব্যাপী অ্যাডভেঞ্চার আয়োজন করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। যাতে করে শিড়্গার্থীসহ অন্যান্য তরুণরা লেখাপড়া করার পাশাপাশি ভালো কিছু কাজ করে নিজেদেরকে ভবিষ্যতের জন্য গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা পায়। সেই সঙ্গে নিজেদের মধ্যে দেশপ্রেম চিরজাগরুক রাখতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যায়।

অ্যাডভেঞ্চার করা বলতে যে শুধু পাহাড়ে যাওয়া বা পর্বতারোহণকেই বোঝায় না, সাঁতার, সাইক্লিং, প্রকৃতিকে উপভোগ করা, স্কেটিং বা ওয়াকাথন করা, আরও কঠিন অ্যাডভেঞ্চার ম্যারাথন ও ট্রায়াথলন করা, বাঞ্জি জাম্প, স্কাই ডাইভিং, সমুদ্র পাড়ি দেয়া ইত্যাদিও কিন্তু অ্যাডভেঞ্চারের মধ্যেই পড়ে।
২৩ মে এই অ্যাডভেঞ্চার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জিএম কাদের; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক; ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সৌদী আরবের শুভেচ্ছাদূত ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা স্যার ফ্র্যাঙ্ক পিটার্স; টিএসসি?র পরিচালক জনাব আলমগীর হোসেন; নেপালের জিরেল সম্প্রদায়ের প্রথম এভারেস্টজয়ী লাল বাহাদুর জিরেল; মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট অভিযানের শেরপা সর্দার সোম বাহাদুর তামাং।

অ্যাডভেঞ্চার উৎসব বাংলাদেশে এই প্রথম। তরুণদেরকে বিভিন্ন ধরনের অ্যাডভেঞ্চার আয়োজনের সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দেয়ার জন্য আয়োজন করা হয়েছিল এই উৎসব। এখানে অংশ নিয়েছেন বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে সার্ফিংয়ের মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দেয়ার নায়ক সার্ফার জাফর আলম, নটরডেম নেচার স্টাডি ক্লাব, এক্সট্রিম বাংলা, ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভ, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, দলছুট, ঢাকা সাইক্লিং ক্লাব, গুলশান ইয়ুথ ক্লাব, বিয়ন্ড অ্যাডভেঞ্চার ক্লাব এবং নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ।

২৩ মে থেকে ২৭ মে পর্যনত্ম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে এই সংগঠনগুলো অংশ নিয়ে তাদের অ্যাডভেঞ্চার কর্মকা- সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছেন। ২৩ মে থেকে ২৭ মে পর্যন্ত শাহ সিমেন্ট অ্যাডভেঞ্চার ফেস্ট ২০১১-তে অ্যাডভেঞ্চার মেলার পাশাপাশি প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অ্যাডভেঞ্চার মুভি ফেস্টও চলে। এ সময় পর্বতারোহণভিত্তিক চলচ্চিত্র দি এভারেস্ট, ইনটু দি থিন এয়ার, টাচিং দি ভয়েড এবং এভারেস্ট অভিযান নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান পর্বতারোহী ব্রেন্ডন ও?মাহোনি?র প্রামাণ্যচিত্র, মুসা ইব্রাহীমের প্রামাণ্যচিত্র, টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ পর্যনত্ম বাংলা চ্যানেল সাঁতারের ওপর এক্সট্রিম বাংলার ও নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশের প্রামাণ্যচিত্র এবং তরম্নণদের মধ্যে মাদকের বিসত্মার প্রতিরোধ করার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়েছে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের সহযোগিতায় এই অ্যাডভেঞ্চার মুভি ফেস্ট আরও সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালনা করা হয়।

২৭ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ঢাকা সাইক্লিং ক্লাবের সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছিল সাইকেল র‌্যালি। আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এই সাইকেল র‌্যালি উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন- তরম্নণদেরকে জাগিয়ে তুলতে হবে। তাদের ঘর থেকে বের করতে হবে। এর মাধ্যম হতে পারে এই সাইকেল। এদিন মেলায় ওয়ান ডিগ্রি ইনিশিয়েটিভের সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছিল অ্যাডভেঞ্চার গেম শো ফর কিড্‌স।

২৮ মে বাংলাদেশের জন্য ছিল একটা মাইলফলক। কারণ এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় ৭.৫ কিলোমিটারের এভারেস্ট রান মিনি ম্যারাথন। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আরিফ খান জয়, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট, ক্রিকেটার আশরাফুল এবং গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি রাফেজ আলম চৌধুরী। গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সহযোগিতায় এই ম্যারাথনে প্রায় ২০ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। এ সময় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ স্কেটিং এবং ওয়াকাথনও আয়োজন করা হয়। এভারেস্ট রান মিনি ম্যারাথনে প্রথম রাজন মিয়া, দ্বিতীয় সৈয়দ নাশিদ হোসেন সুন্না ও তৃতীয় শফিকুল ইসলাম; স্কেটিংয়ে প্রথম আশরাফুল আলম, দ্বিতীয় মো. আসিফ ও তৃতীয় সুজন; ওয়াকাথনে প্রথম শহীদুল, দ্বিতীয় মোজাম্মেল ও তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছেন আফতাবুর রহমান। অনূর্ধ্ব ১৫ বছর বয়সীদের ওয়াকাথনে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়েছেন যথাক্রমে রবি কবির ও সৌভিক।

এর আগে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ের স্মারক প্রকাশনা ?যেমন দেখেছে বাংলাদেশ?-এর মোড়ক উন্মোচনও করা হয়। ১১৬ পৃষ্ঠার এই প্রকাশনায় গত বছরের ২৩ মে মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট বিজয় সম্পর্কে নিজেদের অনুভূতি লিখেছেন দেশের বিশিষ্টজন, লেখক, সাংবাদিক, ক্রীড়াবিদসহ মুসা ইব্রাহীমের পরিবার, স্বজন ও বন্ধুরা। এনএসিবির এ প্রকাশনার পৃষ্ঠপোষক ছিল কিউবি।

২৮ মে বিকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাহাঙ্গীরনগর অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের সহযোগিতায় দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয় প্রথম আনত্মবিশ্ববিদ্যালয় ট্রায়াথলন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন এর উদ্বোধন করেন। এ সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাডভেঞ্চার ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক রাশেদুল ইসলাম, নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সদস্য এনাম তালুকদার ও এক্সট্রিম বাংলার সভাপতি কাজী হামিদুল হক উপসি'ত ছিলেন। এই ট্রায়াথলন প্রতিযোগিতায় ছিল ২০০ মিটার সাঁতার, প্রায় ১০ কিলোমিটার সাইক্লিং ও সাড়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়। এতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। এতে প্রথম হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. আমিনুল ইসলাম। দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছেন যথাক্রমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. আমিনুল ইসলাম শাওন ও জাবি?র মো. শাহীন কাদির। মেয়েদের ট্রায়াথলনে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়েছেন যথাক্রমে দিনাজপুর কলেজ সিফাত ফাহমিদা ও জাবি?র দিনা চাকমা। প্রতিযোগীরা সনদ এবং বিজয়ীরা ক্রেস্ট ও অর্থ পুরস্কার লাভ করেন।

২৯ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে আগ্রহী তরুণ-তরুণীদের জন্য আয়োজন করা হয় পর্বতারোহণে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটা কৌশল জুমার ক্লাইম্বিং প্রশিড়্গণ। এতে ২০ জন তরুণ-তরুণী অংশ নেয়। মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট অভিযানে সহযোগী এভারেস্টজয়ী নেপালের লাল বাহাদুর জিরেল তত্ত্বাবধানে এই প্রশিক্ষণ চলে।

২৯ মে সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হয় ২৩ মে থেকে শুরু হওয়া ?শাহ সিমেন্ট অ্যাডভেঞ্চার ফেস্ট ২০১১? নামের এ আয়োজন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স'পতি ইয়াফেস ওসমান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীমকে দেশের তরুণ প্রজন্মেও প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মুসা ইব্রাহীম বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। প্রতিমন্ত্রীর হাতে এনএসিবির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের এভারেস্ট জয়ের প্রথম বর্ষপূর্তিতে প্রকাশিত স্মারক প্রকাশনা ?যেমন দেখেছে বাংলাদেশ? এবং ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ-এনএসিবির সহ-সভাপতি এবং বিজ্ঞান ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক মুনির হাসান, শাহ সিমেন্টের ডেপুটি ব্র্যান্ড ম্যানেজার ইব্রাহীম খলিল বক্তৃতা করেন।

চলতি বছর থেকে নর্থ আলপাইন ক্লাব বাংলাদেশ প্রবর্তন করছে ?বেস্ট অ্যাডভাঞ্চারাস পারসন অব দ্য ইয়ার?। ২০১১ সালের পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সার্ফিং অঙ্গনে তুলে ধরার জন্য সার্ফার জাফর আলম এবং বঙ্গোপসাগরে বাংলা চ্যানেল সাঁতার প্রতিষ্ঠিত করার পুরোধা এক্সট্রিম বাংলার সভাপতি কাজী হামিদুল হক। তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।
এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিতকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। তাঁর জন্য এনএসিবির পড়্গ থেকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। ব্যস্ততার কারণে মুহিত অনুষ্ঠানে উপসি'ত হতে পারেননি। এনএসিবির পক্ষ থেকে পরে তাঁর হাতে স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

পুরো আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার ছিল দি ডেইলি স্টার, চ্যানেল আই ও এবিসি রেডিও।
Welcome Message
Mountaineering Biography
Personal Biography
Photo Gallery
Video Gallery
Musa Ibrahim's official website (www.musaibrahim.com.bd) launched on December 03
DU authority conferred 'Blue' award to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim accorded DU Alumni Association reception
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Institute of Education & Research (IER), University of Dhaka is conferring reception to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Home About Musa Gallery You can do it Press Release Blog Forum FAQ Contact