Facebook   Twitter   LinkedIn   Youtube   Wikipedia
18 Jul 2011
The task started from DU Campus: a target of 160 million tree plantation
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসা ইব্রাহীমের ১৬ কোটি গাছ লাগানোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুসা ইব্রাহীম ও বন্ধুদের দেশব্যাপী ১৬ কোটি গাছ লাগানোর উদ্বোধনী এবং ১০০০টি গাছ রোপণ অনুষ্ঠান সোমবার ১৮ জুলাই, ২০১১ তারিখে সম্পন্ন হয়েছে। এভারেস্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে 'অভিযান ১৬ কোটি গাছ'-এর প্রথম পর্যায় এদিন ঢাবিতে সুষ্ঠভাবে শেষ হয়। ১০০০টি গাছ লাগানো ও এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকতা করে আইডিএলসি ফিনান্স লিমিটেড এবং সহযোগিতা করে জাতিসংঘ তরুণ শিক্ষার্থী সংগঠন, বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব)।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে ৩টি গাছ লাগিয়ে এ অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আআমস আরেফিন সিদ্দিক। এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশ গড়ার জন্য আমাদের কাউকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হবে। সেই কাজটিই করছে মুসা ইব্রাহীম ও তার বন্ধুরা। তারা দেশজুড়ে যে ১৬ কোটি দেশী গাছ প্রতি বছর লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গর্বের সঙ্গে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হলো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশের বরেণ্য উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞ দ্বিজেন শর্মা। তিনি বলেন, মুসা ইব্রাহীম যেভাবে এভারেস্ট জয় করেছে, তার দেশজুড়ে ১৬ কোটি দেশী গাছ লাগানোর এই উদ্যোগও তেমনি সফল হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

প্রখ্যাত পাখি বিশেষজ্ঞ শরীফ খান বলেন, একটি জায়গার পরিবেশ ঠিক আছে কি না, তা বোঝার সবচেয়ে বড় উপায় হলো সেখানে পাখি এবং দেশী গাছ রয়েছে কি না। পাখিরা বিদেশী গাছে বাসা যেমন বাধে না, এই গাছগুলো আমাদের তেমন কোনো উপকারেও আসে না। তাই পাখির অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে আমাদের দেশী গাছ লাগানো উচিত। আমি মুসা ইব্রাহীম ও তার বন্ধুদের দেশজুড়ে ১৬ কোটি দেশী গাছ লাগানোর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।

কবি ও সাংবাদিক আনিসুল হক বলেন, মুসা ইব্রাহীম পাগলামি করেই একদিন এভারেস্ট জয়ের জন্য একদিন বের হয়ে পড়েছিল। একদিন সে এটা জয়ও করেছে। সেই তারুণ্যকে ভিত্তি করে তার দেশব্যাপী ১৬ কোটি দেশী গাছ লাগানোর এই উদ্যোগও সফল হবে বলেই আমার বিশ্বাস।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞানবিভাগের অধ্যাপক ও আরবারিকালচার দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ড. মিহির লাল সাহা বলেন, জাপানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদেরকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গাছ উপহার দিয়ে তা দেখভালের দায়িত্বও তাদের ওপর দেয়া হয়। এভাবেই তাদেরকে প্রকৃতিমুখী করানো হয়। আমরাও এটা বাংলাদেশে প্রচলন করতে পারি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবি?র নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, খেলাধূলা আর লেখাপড়ার পাশাপাশি আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রকৃতিমুখী হতে হবে। চারা তৈরি করে গাছ লাগানোটা হতে পারে তার প্রথম ধাপ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কলেজ পরিদর্শক ও কবি বিমল গুহ বলেন, আমরা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে গাছ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাগাতে চাই। মুসা ইব্রাহীম ও তার বন্ধুরা দেশব্যাপী যে দেশব্যাপী ১৬ কোটি দেশী গাছ লাগাতে চায়, শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে এগোলে তা সম্ভব। এটা সম্ভব হলে আমাদের জন্য একটা উদাহরণ সৃষ্টি হবে।

বৃক্ষপ্রেমী মৃত্যুঞ্জয় রায় বলেন, আমরা দেশব্যাপী যে ১৬ কোটি গাছ লাগাতে চাই, এটা সম্ভব হবে এটাই হবে একটা বিশ্বরেকর্ড।

বৃক্ষপ্রেমী মোকারম হোসেন বলেন, মুসা ইব্রাহীম ও তার বন্ধুরা যে দেশব্যাপী ১৬ কোটি দেশী গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছেন, এটা হবে আরেকটা এভারেস্ট জয়ের সমান কাজ।

আইডিএলসি ফিনান্স লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার ও সিএফও এইচ এম জিয়াউল হক খান বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান পরিবেশ রক্ষায় সহযোগিতা করছে। বৃক্ষরোপণও এসব কাজের একটা অংশ। আমরা মুসা ইব্রাহীম এবং এভারেস্ট ফাউন্ডেশনকে দেশব্যাপী ১৬ কোটি গাছ লাগানোর এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত হয়ে গর্বিত অনুভব করছি।

স্বাগত বক্তব্যে মুসা ইব্রাহীম বলেন, আগামী ৪ বছরের মধ্যে পুরো দেশে ১৬ কোটি মানুষ প্রত্যেকেই যাতে নিজেই একটি করে গাছ রোপণ করেন এবং যারা রোপণ করতে পারছেন না, তাদের জন্যও গাছ লাগাতে পারেন - সেই পর্যায়েই এই অভিযানকে ধারাবাহিকভাবে নিয়ে যাওয়া হবে। সেই সঙ্গে চেষ্টা করা হবে যাতে এই অভিযানের অংশ হিসাবে দেশের প্রত্যেক মানুষ একটি নির্দিষ্ট দিনে, নির্দিষ্ট সময়ে একটি করে গাছ লাগাতে পারে। এভাবেই দেশ জুড়ে ১৬ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্য অর্জিত হবে।

এই অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর গাছ, যেমন - অ্যাকেসিয়া, ইউক্যালিপ্টাস, মিঞ্জিরি, ম্যাঞ্জিয়াম - ইত্যাদি গাছ রোপণে নিরুৎসাহিত ও অপসারণের উদ্যোগ নেয়া হবে। তৃতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় এর আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনভূমি দেশী গাছ লাগিয়ে গড়ে তোলা হবে। এভারেস্ট ফাউন্ডেশন এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কৃষক সংগঠন, বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন পর্যায়ের বরেণ্য ব্যক্তির উদ্যোগে এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে। এই অভিযানে সকল স্তরের সবাই গাছ লাগিয়ে অংশ নিতে পারবেন।

এরপর ঢাবি?র জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মাজার চত্বর, কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বর, নাটমন্ডল চত্বর, শামসুন্নাহার হল, রোকেয়া হল, ডাকসু চত্বর, কলাভবন- লেকচার থিয়েটার প্রাঙ্গণ চত্বর, বিজনেস স্টাডিজ চত্বর, উপাচার্য কার্যালয় চত্বর, মহসিন হলের রাস্তা ও মাঠ, সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, রাজু ভাস্কর্য, কার্জন হল, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাবি?র চারুকলা থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত সড়কের মাঝের ডিভাইডার ইত্যাদি জায়গায় শোভাবর্ধক, ফুল, কাঠ এবং ঔষধিজাতীয় প্রায় ১,০০০ গাছ রোপণ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জায়গাগুলোতে অলকানন্দা, ল্যান্টানা/গুয়েগ্যান্দা, মিনি রঙ্গন, ছোট টগর, কুরচি, সাদা মুসান্ডা, লাল মুসান্ডা, টগর, জবা, শিউলি, সুপারি, সাদা কাঞ্চন, করবী, বেলী, ছোট রঙ্গন, নারকেল, লাল বড় রঙ্গন, সাদা টগর, স্পাইডার লিলি, ডাইফেনবেকিয়া, ম্যারান্টা, ভেরিগেটেড মান্দার, বাইকালার পাতাবাহার, ভার্নোনিয়া, নিম, নাগলিঙ্গম, টগর, চাপালিশ, তেলসুর, সাদা জবা, লাল ও সবুজ অ্যাকালিফা, ব্রানফেলসিয়া, ফাইকাস, কনকচূড়া/পেল্টোফোরাম ইত্যাদি গাছ রোপণ করা হয়।

Tuesday, July 19, 2011
Metropolitan
Plan to plant 16 crore trees
Vice-chancellor Dr AAMS Arefin Siddique plants a sapling on Dhaka University campus yesterday as he inaugurates a tree plantation campaign spearheaded by Musa Ibrahim. Photo: STARStaff Correspondent

With the aim to raise forestland to 25 percent in the country, Everest hero Musa Ibrahim and friends launched a countrywide tree plantation campaign yesterday.

About 16 crore of local species of trees will be planted across the country within next four years under this programme organised by the Everest Foundation. From the fifth year 16 crore trees will be planted annually.

"We will give priority to educational institutions across the country for planting the trees," said Musa, addressing the launching ceremony on Dhaka University campus.

Another major aim is to discourage people from planting foreign species like Acacia, Eucalyptus, and Mangium as these trees are harmful for the environment, he said.

Speaking as the chief guest, Vice-chancellor Prof AAMS Arefin Siddique said this programme will create awareness among the youths about the environment. Under this programme, 1,000 trees will be planted on DU campus, he said. He said initiatives will be taken for removal of the environmentally harmful trees from the DU campus.

Noted botanist Dijen Sharma demanded ban on cultivation of harmful foreign species of trees in the country. Novelist Anisul Haque said such kind of tree plantation campaign will significantly contribute to the conservation of forestland and bio-diversity.

Bird specialist Sharif Khan and former captain of Bangladesh Cricket Team Habibul Bashar were present.
Welcome Message
Mountaineering Biography
Personal Biography
Photo Gallery
Video Gallery
Musa Ibrahim's official website (www.musaibrahim.com.bd) launched on December 03
DU authority conferred 'Blue' award to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim accorded DU Alumni Association reception
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Institute of Education & Research (IER), University of Dhaka is conferring reception to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Home About Musa Gallery You can do it Press Release Blog Forum FAQ Contact