Facebook   Twitter   LinkedIn   Youtube   Wikipedia
Day 9
মুসাকে সহযোগিতা করা মানে বাংলাদেশকে সহায়তা করা: সোম বাহাদুর
এপ্রিল ১৬, ২০১০
৯ম দিন

ভোর ৬টা:
ঘুম মোটামুটি একই রুটিন মেনে চলছে। একবার ঘুমালে রাত বারটা-একটার দিকে মাথা ব্যথায় ভেঙ্গে যায়। এরপর কিছুক্ষণ পানি খেয়ে মাথা ব্যথা সারার জন্য সময় দিলে যখন সেই ব্যথা ফিকে হয়ে আসে, সে সময়ে ফের ঘুমিয়ে পড়া। এবার এক ঘুমে সকাল। যদি ভোরে তাঁবু থেকে বের হই, তাহলে বেস ক্যাম্পের চারদিক ঘুরে ফিরে বেড়ানো চলে। নয়তো সাতটা-আটটার দিকে তাঁবু থেকে বের হয়ে ফ্রেশ হয়ে সরাসরি ডাইনিং টেন্টে নাশতার জন্য চলে যাওয়া। এদিন সকালে নাশতা সারলাম পরিজ, ছোট্ট প্যান কেক, ডিম, চকোলেট মিল্ক, চা ইত্যাদি দিয়ে।

এরপর সোম বাহাদুর, লাল বাহাদুর জিরেল আর আমি চললাম পূব দিকের পর্বতের রিজে অ্যাকেম্যাটাইজেশন হাইকিংয়ের জন্য। সবাই পাশের সেই বরফে পরিণত হওয়া নদীর বেড ধরে ওপরের দিকে ওঠা শুরু করেছি। বরফের নিচে মূলত এবড়োখেবড়ো পাথর থাকায় নদীর বেডও অসমতল। কোনো কোনো জায়গায় বরফের একেকটা দেয়াল তৈরি হয়েছে যেন। সেই দেয়াল ও নদীর বেডে সূর্যের আলো এসে পড়ায় কোনো কোনো জায়গায় বরফ গলে গিয়ে সেখানে কাঁচের মতো পিচ্ছিল স্তর ?ভারগ্লাস? তৈরি হয়েছে। এই ?ভারগ্লাস?-এ শুধু ট্রেকিং জুতা পরে হাঁটা বিপজ্জনক। হাঁটতে গিয়ে পিছলে পড়ার উপক্রম। কিন্তু লাল বাহাদুরকে দেখি তিনি বেশ স্বচ্ছন্দে এর ওপর দিয়ে হেঁটে বেড়াচ্ছেন এবং সেটা এমনকি খালি হাতেই। তাকে অনুরোধ করলাম গ্লভস পরে নিতে। তিনি ব্যাগ থেকে গ্লভস বের করে নিলেন এবার। আমিও ভিডিও ক্যামেরা বের করে বরফের ওপরে তার কিছু কসরত ধারণ করে রাখলাম।

সকাল ৯টা:
সকাল ন'টার দিকে দলে দলে পর্বতারোহীরা এই নদীর বেড ধরে অ্যাকেম্যাটাইজেশন হাইকিংয়ের জন্য ওপরের দিকে চলেছেন। তারা নদী ধরেই ওপরের দিকে চলে গেলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পর আমরা নদী ছেড়ে বেস ক্যাম্পের পূব দিকের পর্বতের রিজের দিকে এগোতে শুরু করলাম। সামান্য কয়েক মিনিটের মধ্যেই সবাই ঘেমে নেয়ে উঠলাম। এবার গা থেকে গরম কাপড়- বিশেষ করে ডাউন জ্যাকেট খোলার পালা।

প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই তিনজন বেস ক্যাম্প থেকে প্রায় দেড় হাজার ফুট উচ্চতায় সেই পর্বতে রিজের এক মাথায় গিয়ে হাজির হলাম। প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বেস ক্যাম্পের তাঁবুগুলো দেখতে মনে হয় একেবারে বিন্দুর সমান। আর এই রিজ থেকে মনে হয় যেন সবাই বেস ক্যাম্পের পশ্চিমে উত্তর-দক্ষিণ বরাবর চলে যাওয়া পর্বতের রিজের মাথার সমান উচ্চতায় অবস্থান করছি।

এখান থেকে শক্তিমান এভারেস্ট আরও স্পষ্ট চোখে ধরা পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে ক্যামেরা বের করে ছবি তুলে নিলাম। লাল বাহাদুর সেই পর্বত রিজের একেবারে কিনারে গিয়ে ভিডিওতে পুরো এলাকা রেকর্ড করে নিলেন। তাকে বামে রেখে পুরো বেস ক্যাম্পের স্কেল বোঝাতে আমিও কিছু ছবি তুললাম।

এরপর চলল পানি পান, চকোলেট খাওয়া ইত্যাদি। একজন চকোলেট বের করি তো আরেকজনের সঙ্গে তা ভাগ করে নেই। পানিটাও তাই। অর্থাত পর্বতে যে জিনিসটার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি - সবার সহযোগিতা - তারই অনুশীলন চলে সবসময়।

বেলা ১২টা:
এ সময় সোম বাহাদুর যেন একটু আবেগতাড়িত হয়ে পড়লেন। স্বগোতক্তির মতোই বলে চললেন- ?এটাই আমার শেষ পর্বতাভিযান। আমি প্রায় ৩৫ বছর আগে যে পেশা শুরু করেছিলাম, মুসার এভারেস্ট অভিযানের মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি হচ্ছে। কারণ আমি ঠিক করেছি, আমার যে বয়স, তাতে এর পর আর পর্বতাভিযানে যাবো না। তবে আমার কাছে খুব ভালো লাগছে যে মুসাকে সহায়তা করতে পারছি। কারণ তখন মুসার মাধ্যমে আসলে আমি একটা দেশকে- বাংলাদেশকে সহায়তা করছি। যে দেশ থেকে কি না এখনও কেউ এভারেস্ট অভিযানে যায় নি, কেউ এভারেস্ট জয় করে নি। এখন মুসা যদি এভারেস্ট আরোহণ করতে পারে এবং সেই সঙ্গে প্রথম বাংলাদেশি হতে পারে, তাহলে এটাই হবে আমার পেশাগত জীবনে সবচেয়ে বড় পাওয়া। এমনকি জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।?

তার কথা শুনে আমিও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লাম। ভাবলাম প্রায় ষাটের কাছাকাছি বয়স সোম বাহাদুরের। এ বয়সে তিনি এভারেস্ট অভিযানে এসেছেন শুধু আমার অনুরোধে, আমাকে সহায়তা করতে। সবচেয়ে বড় কথা- বাংলাদেশকে এভারেস্টজয়ী দেশ হিসাবে পরিণত করার যে একটা টার্গেট নর্থ আলপাইন কাব বাংলাদেশ-এনএসিবি?র সদস্যদের মধ্যে ছিল, সেই চাওয়াটাকে আমরা এই শেরপাদের মধ্যেও অনুদিত করতে পেরেছি। এভারেস্ট অভিযানে ভবিষ্যতে ভাগ্যে কি আছে, তা তো জানি না, কিন্তু তাদের মধ্যেও আমাদের চাওয়াটাকে একেবারে রন্ধ্রে ঢুকিয়ে দিতে পেরেছি, এটা একটা সাফল্যই।

সোম জানালেন, এর আগে তিনি এভারেস্ট পর্বতে উদ্ধার অভিযানে এসেছিলেন ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। সেবার নেপালের সর্বপ্রথম এভারেস্ট আরোহী মহিলা পাসাং লামু শেরপা ২২ এপ্রিল নেপালের সাউথ ফেস দিয়ে এভারেস্ট আরোহণের পর নেমে আসার সময় এভারেস্টের সাউথ সামিটে আরেকজন সহযোগীকে সহায়তা করতে গিয়ে এবং বাজে আবহাওয়ার কারণে মৃত্যুবরণ করেন। পাসাং লামু শেরপা এভারেস্ট আরোহী সর্বপ্রথম মহিলা হওয়ায় তার মৃতদেহ উদ্ধারে নেপাল সরকার একটা দল গঠন করেছিল। সেই উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সোম। সেই অভিযানে তিনি এভারেস্টের ২৮,২০০ ফুট পর্যন্ত আরোহণ করেছিলেন।

তিনি আরও জানালেন, নিজের জীবন বিপন্ন হতে পারে জেনেও পাসাং লামু শেরপা সেদিন পাঁচবার এভারেস্ট জয়ী শেরপা সোনাম শেরিংকে সহায়তা করতে গিয়েছিলেন। আর এর আগে পাসাং লামু তিনবার চেষ্টা করেও এভারেস্ট জয় করতে পারেন নি। ১৯৯৩ সালে এভারেস্ট জয় করে তিনি নেপালবাসীর আইকনে পরিণত হন। তাই নেপাল সরকার তাকে বহুভাবে মরণোত্তর সম্মান প্রদান করেছে। তিনিই সর্বপ্রথম নেপালি মহিলা যাকে ততকালীন রাজা ?নেপাল তারা? পদকে ভূষিত করেছিলেন। সেদেশের জাতীয় যুব ফাউন্ডেশন তাকে ?১৯৯৩-৯৪ ইয়ুথ এক্সসিলেন্স অ্যাওয়ার্ড? দিয়েছে। তার অর্জনকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে তার নামে ডাকটিকেট ইস্যু করা হয়েছে, নেপাল সরকার সেদেশের মহালাঙ্গুর পর্বতমালার জাসাম্বা হিমাল-এর (উচ্চতা প্রায় ২৪ হাজার ফুট) নাম পাল্টে পাসাং লামু পর্বত রেখেছে। সেদেশের কৃষি মন্ত্রণালয় একটা বিশেষ জাতের গমের নাম রেখেছে পাসাং লামু গম, পূর্ব নেপালের ঝাপা জেলার ধূলাবাড়ি নামক জায়গায় পাসাং লামু মেমরিয়াল হল নির্মাণ করা হয়েছে এবং ত্রিশুলি থেকে ধুনচে পর্যন্ত ১১৭ কিলোমিটার পথের নামকরণ করা হয়েছে পাসাং লামু হাইওয়ে।

সোম বাহাদুরের প্রজ্ঞা দেখে স্থির হয়ে শুনছি। একবার বললাম, আপনি এতোসব কিছু মনেও রেখেছেন। অসাধারণ!

এসব আলাপে সেখানে প্রায় ঘণ্টাখানেক সময় কেটে গেল। চকলেট, পানি ইত্যাদি খেয়ে যেই না জিরাতে শুরু করেছি, তখনি ঠান্ডা বেশ অনুভবে ধরা দিল। ব্যাগ থেকে ডাউন জ্যাকেট বের করে পরে নিলাম সবাই।

এবার লাল বাহাদুর জিরেল তার গল্পের ডালা খুলে বসলেন। কয়েক বছর আগেও তিনি মধ্যপ্রাচ্যে কাজ করে এসেছেন ভাগ্য ফেরাতে। সব কিছু নাকি ভালোই চলছিল। কিন্তু একদিন সেখানে কর্মীরা বিকালে একদিন ফুটবল খেলছিলেন। খেলতে গিয়ে পাশের দেয়ালে পড়ে যাওয়ায় তার ডান পা হাটুর নিচ থেকে ভেঙ্গে চৌচির হয়ে গিয়েছিল। ভাগ্যিস তার ইন্সুরেন্স করা ছিল। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো- তিনি যে প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন, সেই প্রতিষ্ঠান তার কর্মচারীদের প্রতি ছিল অনেক সহানুভূতিশীল। তাই সঙ্গে সঙ্গেই সে দেশের সর্বোচ্চ চিকিতসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলেই হাটুসহ তার ডান পা সেদিন রক্ষা পেয়েছে। তার নিজ দেশ নেপালে হলে নির্ঘাত নাকি তার পা হারাতে হতো। বহু ঘটনার পর তিনি চাকরি শেষে ফিরতি প্লেনে চেপে বসেন দেশে ফেরার জন্য।

দেশে ফিরে লাল বাহাদুর বহুদিন ট্রেকিং গাইড আর পর্বতারোহণে বিভিন্ন গ্রুপকে সহায়তা করেছেন। তিনি এজন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। তার লক্ষ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে এভারেস্ট জয়। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে তিনি বহুদিন পরিকল্পনা করেছেন। সে অনুযায়ী অর্থ জমিয়েছেন। সব শেষে পুরো অর্থ যোগাড় করতে না পারায় তিনি নিজের কিছু সম্পত্তি ব্যাংকে বন্ধক রেখে অর্থ ঋণ করেছেন।

তাদের গল্প শুনতে শুনতেই দেখি মন্টেনেগ্রো'র পর্বতারোহী ও ফায়ার-সার্ভিস কর্মকর্তা জোকো হন্তদন্ত হয়ে চলেছেন আমাদের চেয়ে আরেকটু ওপরে অ্যাক্লেম্যাটাইজেশন হাইকিং করতে এবং 'গো হাই, স্লিপ লো'- এই নিয়ম মেনে চলতে। তারা আমার চেয়ে পাঁচ কি ছয় দিন আগে বেস ক্যাম্পে এসেছেন। কিন্তু এখনো পর্বতারোহণের নিয়মগুলো মেনে তা অনুশীলন করছেন।

এভাবে অনেক সময় কেটে গেল। আশ্চর্যের বিষয় হলো- অ্যাক্লেম্যাটাইজেশন হাইকিংয়ের জন্য বেস ক্যাম্প থেকে প্রায় দেড় হাজার ফুট ওপরে এসেছি। কিন্তু মাথা ব্যথা করছে না। এখান থেকে নেমে দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম।

বেলা ৩টা:
এখান থেকে নামার পর প্রচুর পানি খেয়েছি সারাদিন। ফলে ঠান্ডা ছাড়া আর কিছুই তেমন কাবু করছে না। আর পানি খাওয়ার হার দেখে আমি নিজেই অবাক। ঘণ্টায় প্রায় দেড় থেকে দুই লিটার পানি খেয়ে ফেলেছি। হয় পানি, নয়তো চা, নয়তো হট চকোলেট ড্রিঙ্ক। এভাবেই মাথা ব্যথা ঠেকানোর কর্মকাণ্ড চলছে।

এমন সময় অন্নপূর্ণা ফোর পর্বতাভিযান শেষে দেশে ফেরার পর রিমির সঙ্গে কথোপকথনগুলো মনে পড়ছিল। ছেলে ওয়াসি ইব্রাহীম রাইদ আর রিমির সঙ্গে দেখা হলে রিমিকে অন্নপূর্ণা ফোর পর্বতারোহণের পূর্বাপর ঘটনা বলার পর প্রথমেই অন্নপূর্ণা ফোর জয়ের অভিনন্দন জানিয়ে অবশ্য চলে গেল ভিন্ন প্রসঙ্গে। সে বলল- সবার কথা চিন্তা করে, বিশেষ করে নিজের ক্যারিয়ারের কথা ভেবে আমার এসব পাগলামি ছেড়ে দেয়া উচিত। শেরপাদের কাছে এবং পর্বতারোহণের সরঞ্জামের জন্য যে টাকা বাকি রেখে এসেছি, এটা কিভাবে শোধ করা হবে, নর্থ আলপাইন কাব বাংলাদেশ-এনএসিবি?র কে শোধ করবে, পরে এটা আবার আমার ঘাড়েই এসে পড়বে কি না- ইত্যাদি আলাপের সর্বাগ্রে রেখে রিমির মন্তব্য হলো- কোনোভাবে যদি সম্ভব হয়, তাহলে টাকাটা শোধ করে এবার থেকে পর্বতারোহণ যেন ছেড়ে দেই।

কিন্তু তাকে যতোই বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে এবারের অভিযানই হলো চূড়ান্ত অভিযান। এতোদিন ধরে যে একটা স্বপ্ন মনে লালন করে এসেছি, যার জন্য এতো ত্যাগ-তিতীক্ষা, সেই এভারেস্টই হলো এবারের লক্ষ্য। রিমি ততোই পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলছিল- এই অন্নপূর্ণা ফোর পর্বত অভিযানেই পুরো টাকা যোগাড় হয় নি, শেরপাদের কাছে টাকা বাকি রেখে এসেছ, আর তুমি যাবে এভারেস্টে?

বলেছিলাম যে, হ্যাঁ, আমিই যাবো এভারেস্টে। চেষ্টা করে দেখতে তো ক্ষতি নেই।

কিন্তু এসব কথা রিমিকে বোঝাতে পারে নি যে এভারেস্ট সে মুহূর্তে আমার কাছে কতোখানি আরাধ্য। সর্বশেষ তাকে বলেছি- রিমি, যদি আমি এভারেস্ট অভিযানে যেতে পারি, যদি এভারেস্ট জয় করতে পারি, তাহলে যে মুসাকে পাবে, তার সঙ্গে না যেতে পারা মুসার থাকবে একেবারে আকাশ-পাতল পার্থক্য। এটা যেমন লক্ষ্য অর্জনের মিশন, তেমনি এটা এ মুহূর্তে আমার জীবনের সঙ্গে একেবারে মিশে গেছে।

রিমিকে কতোটুকু বোঝাতে পেরেছিলাম, তা জানি না। কিন্তু তখন থেকেই এভারেস্ট অভিযানে নামার তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছিল।

পাশাপাশি আব্বা-আম্মাও সমানতালে ফোনে এসব পাগলামি ছেড়ে দেয়ার জন্য রীতিমতো শাসন করা শুরু করেছিলেন। তাদেরকে বলেছিলাম- আমি ২০১০ সাল পর্যন্ত নিজের মতো করে চলতে চাই। সেই চাওয়ার মধ্যে এভারেস্ট অভিযানে যাওয়াটাও আছে। ২০১০ সাল পর্যন্ত আমাকে এ নিয়ে কোনো কথা বলা যাবে না। এরপর তাদের সব কথা শুনতে রাজি, কিন্তু ২০১০ সালের আগ পর্যন্ত কোনো কথা নয়।

এসব কথা মনে পড়ছে আর রিমি, রাইদের সঙ্গে কথা বলার জন্য মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠছে। কিন্তু ভোলার স্যাটেলাইট ফোন নিয়ে যা হয়েছে, তাতে আরেকবার অনুরোধ করার মতো সাহস আর পাচ্ছি না। সোম বাহাদুরের সঙ্গে স্যাটেলাইট ফোনের বিষয়টি আলোচনা করতেই তিনি বললেন- ভেবো না, হয়তো এতেই তোমার মঙ্গল রয়েছে। তার কথা শুনে মনকে বুঝ দিলাম- এতেই হয়তো মঙ্গল রয়েছে।

রাত:
কিন্তু রাতে ঘুমানোর পর মধ্য রাতে একই কায়দায় মাথা ব্যথায় অস্থির হয়ে উঠলাম। আগের নিয়মে ঘুম থেকে উঠে পানি খেয়েছি আর বসে অপেক্ষা করেছি যে কখন এই ব্যথা সেরে যাবে।
« Day 8  Day 10 »
Welcome Message
Mountaineering Biography
Personal Biography
Photo Gallery
Video Gallery
Musa Ibrahim's official website (www.musaibrahim.com.bd) launched on December 03
DU authority conferred 'Blue' award to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim accorded DU Alumni Association reception
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Institute of Education & Research (IER), University of Dhaka is conferring reception to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Home About Musa Gallery You can do it Press Release Blog Forum FAQ Contact