Facebook   Twitter   LinkedIn   Youtube   Wikipedia
Day 51
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট জয়: বেস ক্যাম্প থেকে কাঠমান্ডু
(এটা আসলে ৫০তম দিবস হবে। কিন্তু ওয়েব সাইটের অ্যলগরিদমের হিসাবের সুবিধার কারণে ৫১ লিখলাম)

২৭ মে ভোর পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠিয়ে বলা হলো, যেতে হবে। আজই বেস ক্যাম্প ছেড়ে কাঠমান্ডুর দিকে যাওয়ার পরিকল্পনা। হুড়মুড় করে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে জিপে উঠে পড়লাম। কিছু দূর যেতেই দেখি, একটা মুখ পরিচিত মনে হচ্ছে। দেখি, আমাকে যে এভারেস্ট রিজে রক্ষা করেছিল, সেই ব্রেন্ডান আর স্টিফেন। এ সময় ব্রেন্ডান সবার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই পুরো গাড়ির সব যাত্রী হইহই করে উঠল। ফের একটা আনন্দের ক্ষণ সৃষ্টি হলো সেখানে। এরপর একটানা পথ চলে তিংরিতে এসে নাশতার বিরতি। এদিন জিপ প্রায় ১২০ কিলোমিটার বেগে চলে দুপুরের মধ্যেই নায়ালাম, ঝাংমু ইত্যাদি পার হয়ে কোদারি পৌঁছে দিল। কিছুক্ষণের মধ্যে আরেকটা জিপে সোম বাহাদুর, কৈলাস আর লাকপাও এসে যোগ দিল। লাল বাহাদুর আসতে পারেনি। কারণ, সে গতকাল তার সনদ জোগাড় করতে পারেনি। আজ সে সনদ জোগাড় করে পরদিন কাঠমান্ডু ফিরবে।
তিব্বতের কোদারি সীমান্তের কাজ শেষ করে ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ দিয়ে নেপালের তাতোপানি সীমান্তের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করছি। এরপর বাসে করে কাঠমান্ডু যাত্রা।

নতুন অধ্যায়
বাস প্রায় দেড় ঘণ্টা চলার পর পথে দোলালঘাটে দেখি কয়েকটা পরিচিত মুখ। বাসচালককে কোনোমতে বললাম, থামো, থামো, আর যেতে হবে না। আনিসুল হক, কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সেক্রেটারি নাসরিন জাহান লিপি, ডেইলি স্টার-এর পিনাকি রয়, চ্যানেল আইয়ের ফরিদুর রহমান পান্থ, আমার বন্ধু কোমল অরিয়াল, আশরাফ কায়সার, নেপালে কর্মরত আরেক বন্ধু জিয়াউল হক খালেদ প্রমুখ সেখানে হাজির। বাস থেকে নামতেই তাঁরা গায়ে জড়িয়ে দিলেন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা। আরেকবার শিহরিত হলাম। আরেকবার আনন্দের ক্ষণ এসে হাজির হলো বহুদিন, ব-অ-হু-উ-দিন পর পরিচিত কিছু মুখ দেখতে পেয়ে। আমাদের কর্মকান্ডে তখন বাসের অন্য পর্বতারোহীরা হতবাক। মিটুনদাকে (আনিসুল হক) জড়িয়ে ধরে কেঁদে উঠলাম। আনন্দের সেই কান্না। অনেক আনন্দের।
সোম বাহাদুর, কৈলাস, লাকপা আর আমাকে গাড়িতে নিয়ে সবাই ফিরে চললেন কাঠমান্ডু। গাড়ির মধ্যেই চলল হাজারো বিষয় নিয়ে কথোপকথন। এ সময় মনে হচ্ছিল, আমি যেন শেখ সাদী। তিনি দীনহীন অবস্থায় যখন সরাইখানায় হাজির হলেন, তখন তাকে সবাই দূর দূর করেছেন। কিন্তু পরে যখন তিনি ভালো কাপড়চোপড় পরে গেছেন, তাঁকে মনোলোভা খাবার দিয়ে সবাই তুষ্ট করার চেষ্টা করেছেন। তেমনি যখন এভারেস্ট অভিযানে গেছি, তেমন কেউ ছিলেন না পাশে। আজ একেবারে কাঠমান্ডু পার হয়ে সীমান্তের কাছাকাছি হাজির হয়েছেন সবাই আমাকে ফিরিয়ে নিতে। কিন্তু তারা এত কষ্ট করে গেছেন, এ জন্য তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম।
কাঠমান্ডুতে পৌঁছাতেই বাংলাদেশ হাইকমিশনার নিমচন্দ্র ভৌমিক হোটেলে এসে হাজির হয়েছেন অভিনন্দন জানাতে। আর বাংলাদেশ থেকে এনএসিবির সহসভাপতি ফখরুল আবেদিন মিলন, বন্ধু জিয়া ইসলাম, নওরোজ ইমতিয়াজ আর সিমু নাসের এসে হাজির। একদিন পর এল নাসিরুদ্দিন মাহমুদ জুয়েল আর আসিফ এন্তাজ রবি। যেন একখন্ড বাংলাদেশ।
« Day 50  Day 52 »
Welcome Message
Mountaineering Biography
Personal Biography
Photo Gallery
Video Gallery
Musa Ibrahim's official website (www.musaibrahim.com.bd) launched on December 03
DU authority conferred 'Blue' award to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim accorded DU Alumni Association reception
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Institute of Education & Research (IER), University of Dhaka is conferring reception to Musa Ibrahim
Musa Ibrahim's photo exhibition titled 'Bangladesh on top of the Everest'
Home About Musa Gallery You can do it Press Release Blog Forum FAQ Contact